মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:৪৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
পার্বত্য অঞ্চলে সর্বভৌমত্ব আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ৩টি  আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ান স্থাপন- আইজিপি প্রাণির স্বাস্থ্য সনদ জাল করে গরু চোরাচালান! আলীকদমে ইউনুচের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা বান্দরবানে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ চট্টগ্রামের বৈদ্য আটক বান্দরবানে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড পাহাড়ে মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী খুবই আন্তরিক -পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর তুমব্রু সীমান্তে বসবাসরত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরাতে জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন লামায় ঢুকতে পারেনি সিএইচটি কমিশনের একটি দল নাইক্ষ্যংছড়ি তমব্রু সীমান্তে গরু আনতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে পা হারাল এক যুবকের সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে থানচিতে ব্যাপক প্রচারণা চালাবে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নাইক্ষ্যংছড়ি আলী মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি দ্রুত সংষ্কারের দাবি!
একটি ব্রিজের অভাবে পানির উপরে লাশ পারাপার

একটি ব্রিজের অভাবে পানির উপরে লাশ পারাপার

আবদুর রশিদঃ
একটি ছোট ব্রিজের অভাবে লাশ নিয়ে পায়ে হেঁটে কবরস্থানে যেতে পারে না কক্সাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের শীয়া পাড়া ৩ নং ওয়ার্ডের গ্রামবাসীরা। এ গ্রামের কেউ মারা গেলে বার বার উঠে আসে এমন কঠিন অমানবিক বাস্তব চিত্র।
স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও যার কোন সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় গ্রামবাসীর। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারী ) গর্জনিয়ার শিয়া পাড়ার মানুষকে মুখোমুখি হতে হয়েছে এ অমানবিক ও নিষ্ঠুর বাস্তবতায়।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বাইশারী ইউনিয়নের হরিণ খাইয়া গ্রামের মৃত্যু আকবর আহমেদ এর পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ প্রকাশ মুজারু (৭৮) মৃত্যু বরণ করেন। তাহার পিতা, মাতার কবরের পাশে দাপন করার জন্য লাশ নিয়ে জানাযা পড়ার লক্ষ্যে হরিণ খাইয়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী গর্জনিয়া ইউনিয়নের শিয়া পাড়া জামে মসজিদের কবরস্থানে দাপন করার জন্য কেউ কেউ বাঁশের তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে পার হয়। তবে বেশির ভাগ গ্রামবাসীকে পার হতে হয় কোমর পর্যন্ত পানিতে ভিজে। আর লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাতের উপর ভর করে ভাসিয়ে।

এমন অমানবিক চিত্র জনপ্রতিনিধি ও সরকারকে দেখালে এর সমাধান হবে, এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি? তার অভিযোগ, কক্সবাজার জেলার সবচেয়ে অবহেলিত জায়গাটি হচ্ছে গর্জনিয়া ইউনিয়নের শিয়া পাড়া বড়বিল।

এলাকাবাসি আরো জানান, এখানকার স্থানীয়রা জানেনা তাদের ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান ও এমপিকে। ভোটের পরে সবই হাওয়া।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল জব্বার বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল আমি বার বার অনুরোধ করে বলেছি, শিয়া পাড়া এবং বড়বিলে একটি ব্রিজের দরকার, কিন্তু তারা কেউ কথা শোনে না। এজন্য এর সমাধান হয়নি। একটি ব্রিজের জন্য প্রায় হাজারের অধিক মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দী বলে দাবি তার।

এ ব্যাপারে গর্জনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে বার বার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে আগে রামু গর্জনিয়া কাউয়ার খোপের সোনাইছড়ি এলাকায় ব্রিজের অভাবে বাঁশের ভেলায় লাশ পারের ঘটনা ঘটেছিল।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology