শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:০২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লামায় দুর্গম এলাকায় এক বাঁশ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধারে যৌথবাহিনী থানচিতে স্বাভাবিক প্রসূতি সেবা নিশ্চিৎ করতে অবহিতকরন কর্মশালা   রোয়াংছড়ি শুকনাছড়ি পাড়ায় বন সংরক্ষণ সমিতির ২য় বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত বাইশারীতে পূজামণ্ডপ,পরিক্ষা কেন্দ্র ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন ইউএনও সালমা  বান্দরবানের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিলো বান্দরবান জোন পার্বত্য অঞ্চলে সর্বভৌমত্ব আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ৩টি  আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ান স্থাপন- আইজিপি প্রাণির স্বাস্থ্য সনদ জাল করে গরু চোরাচালান! আলীকদমে ইউনুচের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা বান্দরবানে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ চট্টগ্রামের বৈদ্য আটক বান্দরবানে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড পাহাড়ে মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী খুবই আন্তরিক -পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর
কমেছে পানি, এখনো বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি

কমেছে পানি, এখনো বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শনিবার থেকে টানা ৯ দিনে ভারী বর্ষণে উজানের পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় বান্দরবান শহরে দেখা দিয়েছে বন্যা। শহরে বাস স্টেশন, ইসলামপুর, হাফেজ ঘোনা, আর্মি পাড়া, বালাঘাটা, কালাঘাটা, ক্যচিংঘাটা, মধ্যম পাড়া, উজানী পাড়া, বাজার এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ভোগ পরেছে হাজারো মানুষ। রবিবার ১৪ তারিখ থেকে বৃষ্টি কমায় শঙ্খ নদীর পানি কমতে শুরু করে।

আজ সোমবার শহরে বন্যা কবলিত এলাকাগুলো পানি শুকিয়ে গেছে। শুকিয়ে যাওয়া এলাকায় কাদা ভরে যায়। বন্যার পানি কমে গেলেও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বান্দরবান-চট্রগ্রাম সড়কের সাতকানিয়া বাজালিয়া এলাকা প্রায় আধা কিলোমিটার সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় এখনো পুরোপুরি শুকিয়ে না যাওয়ায় কারনে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি। রুমা সড়কে ১২ মাইলের পরে রাস্তা ধ্বসে যাওয়ায় যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রোয়াংছড়ি, রাঙ্গামাটি সড়কে বিভিন্ন জায়গায় পাহাড়ে মাটি ধ্বসে সড়কে এসে পড়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। রাস্তা সাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রাঙ্গামাটি, রুমা, রোয়াংছড়ি বাস চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে বলে ড্রাইভার সূত্রে যানা গেছে।

বান্দরবান সদর উপজেলা পিআইও আলমগীর জানান, বন্যা দুর্গতদের মাঝে ৩শটি ব্যাগ শুকনা খাবার পৌছে দিচ্ছি। প্রতিটি ব্যাগে ১০টি করে শুকনা খাবার উপকরন রয়েছে। আগামী ১৯ তারিখ পর্যন্ত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে বলে বান্দরবান প্রতিদিনকে জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে ১৯শে জুন মাসে বান্দরবান শহর বন্যা প্লাবিত হয়। এর পর ১৯৯৭ সালে ২১শে জুন মাসে দ্বিতীয় বার বন্যা কবলে পড়ে। দীর্ঘ ২২ বছর পর ১৩ জুলাই ২০১৯ সালে বান্দরবানে বন্যা দেখা দেয়।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology