সোমবার, ১৪ Jun ২০২১, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

গর্জনিয়া দূর্গম জনপদে  এতিম ও হাফেজদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করলেন – নীলিমা চৌধুরী

গর্জনিয়া দূর্গম জনপদে  এতিম ও হাফেজদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করলেন – নীলিমা চৌধুরী

মোঃআবদুর রশিদ,নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ
আজ ৩০শে মে বুধবার বিকাল ৩ঘটিকায় শাহ বদর আউলিয়া (রঃ) হেফজখানা ও এতিমখানার মাঠে ককসবাজার জেলা রামু উপজেলা গর্জনিয়া ইউনিয়নের দূর্গম  মরিচ্যা চর শাহ বদর আউলিয়া (রঃ) হেফজখানা ও এতিমখানার ৪৩ জন হাফেজ ও শিক্ষক গরীব অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী  বিতরণ করা হয়।
অত্র হাফেজ খানা ও এতিম খানার হাফেজ মোঃ সাদেক এর কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, শাহ বদর আউলিয়া (রঃ) হেফজখানা ও এতিমখর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাংবাদিক মোহাম্মদ নাজেম উদ্দীন প্রধান অতিথি হিসাব উপস্তিত থেকে ঈদ  উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন অগ্রযাত্রা চেয়ারম্যান সাগর কন্যা নীলিমা আক্তার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ককসবাজার বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোড়ের সাধারণ সম্পাদক সুরেশ বড়ুয়া বাঙালি, সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুর রশিদ, সমাজ সর্দার ইউনুস, সমাজ সেবক মহি উদ্দীন,মোঃ আয়ুব,মোঃ মিজান প্রমু।
শাহ বদর আউলিয়া (রঃ) হেফজখানা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাংবাদিক মোহাম্মদ নাজেম উদ্দীন তিনি বলেন, “সাগর কন্যা” যার উপাধী,সাগরের জলরাশির মত যার কাজ,চট্রগ্রামস্থ কক্সবাজার সমিতি নীলিমা আক্তার চৌধুরীকে সাগরকন্যা উপাধি দেন। সাগরের জন গভীরে যেমন মুক্তামনি থাকে ঠিক তেমনি, অতিরত্ম কক্সবাজার জেলার সাগর কন্যা নীলিমা আক্তার চৌধুরী। গ্রামে যার বড় হওয়া মাটির সাথে যার টান, গরীব অসহায় মানুষের পাশে যার অসহায়দের নিয়ে যার সব সময় চিন্তা সেই নীলিমা আক্তার চৌধুরী। বর্তমানে বাংলাদেশের তথা কক্সবাজার জেলার জন্য রোহিঙ্গা ইস্যু অনেক বড় একটি দুঃসময় ঠিক এই সময় তারই প্রতিষ্ঠিত সংস্থা “অগ্রযাত্রা” মাধ্যমে দাড়িয়েছেন অসহায় বিতাড়িত রোহিঙ্গা ও ককসবাজার জেলার অসহায় মানুষের পাশে। অন্য অবদী তার পথচলা থেমে নেই। সরকারের পাশাপাশি অগ্রাযাত্রা সংস্থার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন এনজিওদের সাথে যোগাযোগ করে রোহিঙ্গাও স্থানীয়দের  সহায়তা করে আসছে।
তার মনে প্রাণে শুধু একটি ব্রত মানব সেবা। অগ্রযাত্রা সৃষ্টির জন্য অনেক বাধা বিপত্তিও এসেছে তা সরিয়ে অন্য অগ্রযাত্রা একটি উদাহরণ হয়ে দাড়িয়েছে। কোন কাজে দিয়ে পিছু হঠেনি। যে কোন বাধা বিপত্তিকে সামাল নিয়ে এগিয়ে গেছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অতুলনীয় কাজ করে যাচ্ছে।
অগ্রযাত্রার নীলিমা আক্তার চৌধুরী তিনি একাধারে অনেক সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন। ব্যক্তি জীবনে দুই সন্তানের জননী নীলিমা আক্তার চৌং সাফল্য স্বীকৃতি পায় প্রথম ২০০৬ সালে যুব সমাজ আত্মকর্মসংস্থানের অনন্য অবদারের জন্য জাতীয় যুব পুরস্কার ২০০৫ লাভ করেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ডঃ ইয়াজ উদ্দিন আমদ এই সম্মাননা পদক প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সনের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে এলাকার বিধস্ত জনগোষ্ঠিকে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করে সম্ভাব্য সাহায্য সহযোগিতা করেন। এছাড়াও পারিবারিক অর্থায়নে জোয়ারিয়ানালা পরবর্তীতে রশিদ নগর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স এর জন্য ০৬.০৬ বিঘা জমি, বেশ কিছু কমিউনিটি স্কুল, রেজিটার্ড প্রাইমারী স্কুল, এতিমখানা, মকতব, মাদ্রাসা, মসজিদ নির্মাণ করা হয়। পিতা শেখ মফিজুর রহমান জনকল্যাণমূলক কাজে সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতেন।তিনি পিতার মত ভবিষ্যতে  অসহায়দের পার্শ্বে থেকে কাজ করতে ইচ্ছুক বলে জানান।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology