মঙ্গলবার, ২৭ Jul ২০২১, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন

দীর্ঘদিন রাস্তা ও ড্রেন সংস্কার না করায় ;খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি বাজারে চরম দূর্ভোগে সাধারণ জনগণ

দীর্ঘদিন রাস্তা ও ড্রেন সংস্কার না করায় ;খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি বাজারে চরম দূর্ভোগে সাধারণ জনগণ

অংগ্য মারমা; খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ির উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী পুরনো রাজ বাজার দীর্ঘদিন সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। ফলে বাজারের রাস্তা-ঘাট,ড্রেন,কালর্ভাট ভেঙ্গে চুরে একাকার হয়ে যাচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতে অলি-গলিতে থৈ থৈ পানিতে ভরে যায় । এ বাজার বিগত ৪ বছরের অধিক সময় চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ জনগণ। সম্প্রতি সংস্কারের বরাদ্দ পেলেও ঠিকাদার কাজ শুরু করার আগেই বৃষ্টিতে বেসামাল অবস্থা পড়ে আছে বাজার এলাকাটি ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পুরনো মং রাজ পরিবারের নামকরণে প্রসিদ্ধ এ বাজারটির ওপর দিয়ে বয়ে গেছে দু’টি ইউপি সড়ক। ফলে দুই ইউনিয়নসহ উপজেলার সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ এ বাজারে ছোট-বড় দোকান-পাট গড়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন বাজারের উন্নয়ন নেই বললেই চলে।

কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কবলে পড়ে মাটিতে মিশে গেছে নালা-নর্দমাগুলো। অনায়াসে পানি ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাজারে। এছাড়া ইউপি রাস্তায় ভারি যানবাহন চলাচল করায় গত ৪ বছরে সড়কের অবস্থা বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে রাস্তার চিহ্ন মুছে গেছে। এ দীর্ঘ সময় ব্যবসায়ীর পাশাপাশি ক্রেতা-বিক্রেতারা চরম দূর্ভোগ হজম করতে হচ্ছে।

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল(এলজিইডি) অধিদপ্তর উক্ত সড়কের ১ কিলোমিটার সংস্কারে বরাদ্দ দিয়েছে। ঠিকাদার যথা সময়ে কাজ শুরু করলেও বৈশাখের আগাম বর্ষায় তা থমকে গেছে। রমজানের কেনা-কাটার ভিড়ে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা চরম বিপাকে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে পুরো বাজারে থৈ থৈ পানি আর অলি-গলিতে যেন ছোট পুকুরে পরিণত হয়ে যায় ।

প্রবীণ ব্যবসায়ী শিবু চক্রবর্তী ক্ষোভ প্রকাশ বলেন, আমরা দীর্ঘ সাড়ে ৩ যুগ ধরে এ বাজারে ব্যবসা করে আসছি। এত চরম দূর্ভোগ পোহাতে হবে তা কখনও ভাবিনি। ঠিকাদার অপরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করায় এখন বেসামাল।

ঠিকাদার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কাজ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুতই কাজ শুরু করছি। কিন্তু বৃষ্টিতে কাজ এগুতে পারছিনা। ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ বিবেচনা করে সরকার সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে।

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology