রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আর থাকবে না থানচিতে পাথর, শুকিয়ে গেছে পানি কেশবপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫ থানচি নদীতে ডুবে শিশু মৃত্যু থানচিতে প্রধানমন্ত্রী উপহার আর্থিক সহায়তা প্রদান লামায় গ্রামার স্কুলে বঙ্গবন্ধু বুক কর্ণার ও মুক্তিযোদ্ধা কর্নারের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী’র বিশেষ উপহার পেল লামার ৩হাজার ৬শত পরিবার  বান্দরবানে সুয়ালকে রাবার ড্যাম প্রকল্পে অনিয়মে বাধা দেয়ায় শ্রমিক ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৯ মানছেনা প্রশাসনের জরিমানা ! অবিরাম চলছে আবাদি জমি ও পাহাড় কাটা ৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলিসহ এক জনকে আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি পুলিশ আলীকদমে ২’শ পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সহায়তা
নাইক্ষ্যংছড়িতে নিরাপদ পানি সঙ্কট

নাইক্ষ্যংছড়িতে নিরাপদ পানি সঙ্কট

আবদুর রশিদ,নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নে চাকড়ালা, উপজেলা সদর, বাগান ঘোনা,সোনাইছড়ি ও দোছড়ি ইউনিয়নসহ ঘুমধুমের বিভিন্ন  গ্রামে খাবার পানির তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
সরজমিনে দেখা যায়, চৈত্র বৈশাক  মাসে পানি মেলে না। এই তিন ইউনিয়নে অন্তত শতাধিক রিংওয়েল ও নলকূপ এখন প্রায় অকেজো । এতে করে পাহাড়ি বাঙ্গালিদের ঘরে ঘরে খাবার পানির তীব্র সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। একদিকে পবিত্র মাহে রমজানের মাস অপর দিকে করোনা সঙ্কট।  নেই কোন সঠিক  উদ্যোগ সংশ্লিষ্টদের।
দোছড়ি  ইউনিয়নের বাসিন্দা সাবেক মেম্বার ও আওয়ামিলীগের সহ সভাপতি আবদুল নবী জানান, তাদের বাড়ির একটি রিংওয়েল ছাড়াও তার বাড়ির আশপাশের আরও কয়েকটি নলকূপ থেকে পানি কম উঠছে। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এ দশার সৃষ্টি হয়েছে। একই ভাবে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর সোনাইছড়ি, দোছড়ি ইউনিয়সহ ঘুমধুমের বিভিন্ন গ্রামে বাইশফাড়ী, বরইতলীসহ অর্ধশত গ্রামে খাবার পানির   তীব্র সংকট চলছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ইমন বলেন, আমার ইউনিয়নে পানির সমস্যা দীর্ঘ দিনের, এই সমস্যা নিরসনে তিনি সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সোনাইছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান এ্যনি মার্মা জানান, তার ইউনিয়নে অর্ধশতাধিক রিংওয়েল ও  টিউবওয়েল অচল হওয়ায় নারী ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এই সময়ে পাহাড়ি ছড়া, ঝিরি পানি শুকিয়ে যাচ্ছে।
 উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শাহ মোঃ আজিজ জানান, প্রচন্ড গরমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপ/ রিংওয়েল গুলোতে পানিশূন্যতা দেখা দিচ্ছে। কিছু স্থানে ১৫০ ফুট নিচে গিয়েও নলকুপে পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলহাজ্ব মোঃ  শফিউল্লাহ জানান, প্রচন্ড গরমে শুষ্ক মৌসুমের তিন মাস এসব পাহাড়ি এলাকায় খাবার পানির তীব্র সঙ্কট দীর্ঘদিনের, বিষয়টি নিয়ে পার্বত্য মন্ত্রীর মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বান্দরবান জেলার নির্বাহি প্রকৌশলিকে অবগত করা হয়েছ, সদরে নিরাপদ পানি সরবরাহে জন্য একটি প্রকল্পের কাজ করছি আশা করছি পার্যায ক্রমে এসব এলাকার পানির চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology