বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২০, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
৬ হত্যার ঘটনায় ২০জনের বিরুদ্ধে মামলা ও লাশ হস্তান্তর বান্দরবানে পুলিশ লাইন্স কমিউনিটি ব্যাংকের এটিএম বুথ শুভ উদ্ধোধন বান্দরবানে করোনায় আক্রান্ত সিভিল সার্জন ডাক্তার অংসুই প্রু মারমা যশোর কেশবপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বান্দরবানে ১০০টি বনজ ও ঔষধি চারা রোপন উদ্ধোধন বান্দরবানে সশস্ত্র হামলায় ৬জন নিহত,আহত ৩ বান্দরবানে অপহরণের ৪দিন ব্যবধানে আবারো নিখোঁজ ১ ত্রিপুরা যুবক নানিয়ারচরে সোলার বিতরন করলেন দীপংকর প্রতিনিধি আব্দুল ওহাব হাওলাদার থানচিতে কালভার্ট মাঝখানে গর্ত ! ৫টি গ্রামের দুর্ভোগ যশোর কেশবপুর থেকে ৩৮ তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্ত ১২ মেধাবীকে প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা
বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবর্ষণ,  বিজিবির সর্তকতা জোরদার

বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবর্ষণ,  বিজিবির সর্তকতা জোরদার

ছবি: সংগৃহীত

রিমন পালিত, স্টাফ রিপোর্টারঃ
কোনারপাড়া শূন্যরেখায় আশ্রিত রোহিঙ্গারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশটির অভ্যন্তরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করছিল তারা।
এ ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্তক অবস্থানে রয়েছে। কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ৩টায় এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (৪ মে) বিকালে সীমান্তের শূন্য রেখায় গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা বলেছে, দেশটির ৫শ’ গজ ভেতরে মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিজিপি যৌথভাবে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি অভিযান চালিয়েছিল। সেই অভিযানের সময় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।’
লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, ‘গুলিবর্ষণের শুরুতে শূন্যরেখায় আশ্রিত রোহিঙ্গারা ভয়ে ছিল। পরে তারা জানতে পারে ঘটনাটি সে দেশের ভেতরে ঘটছে। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদলিপি পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সর্তকাবস্থানে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় কোনারপাড়া এলাকার একটি খাল তমব্রু খাল হিসেবে পরিচিত। সেখানে এক হাজারের বেশি পরিবারের ৫ হাজার মতো রোহিঙ্গা রয়েছেন। তারা ২০১৭ সালে ২৪ আগস্টের পরে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসার সময় সেখানে আটকা পড়েন। সেখান থেকে তারা যেন বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে এ লক্ষ্যে মিয়ানমার বার বার গুলিবর্ষণ করে আসছিল।
পাশপাশি সীমান্তে কাঁটাতারের বেষ্টনির পাশঘেঁষে মিয়ানমার সেনাবাহিনী একটি সড়ক নির্মাণ করেছে। এটি তমব্রু থেকে বাইশ ফাঁড়ি পর্যন্ত চলে গেছে। এই সড়ক দিয়েই এখন প্রতিদিন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর যানবাহন চলাচল করে থাকে।
‘শূন্যরেখার এক রোহিঙ্গা বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জিরো লাইনের কাছাকাছি মিয়ানমারে ব্যাপক গুলিবর্ষণ চলে। প্রায় ঘণ্টাখানেক গুলিবর্ষণের শব্দ পাওয়া গেছে। এতে রোহিঙ্গা শিবিরের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী মাঝে মাঝে রোহিঙ্গাদের ভয় দেখানোর জন্য গুলিবর্ষণ করে।’
সীমান্তের নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকালে নো-ম্যানস ল্যান্ডে গুলিবর্ষণের খবর পওয়া গেছে। তবে ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঘটেছে।’
প্রসঙ্গত, গত বছর বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল মিয়ানমার সফরে যান। ওই সময় দেশটি গত ১০ আগস্ট থেকে শূন্যরেখায় ত্রাণ বন্ধের প্রস্তাব দেয় এবং বলে সেখানে অবস্থানরতদের দেশটির মানবিক সংস্থার মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ করা হবে। বাংলাদেশ এই প্রস্তাব মেনে নিলেও শূন্যরেখায় অবস্থানরত রোহিঙ্গারা এতে আপত্তি জানায়। এর আগে বাংলাদেশের সঙ্গে এক বৈঠকে মিয়ানমার নিঃশর্তভাবে শূন্যরেখায় আটকে থাকা এই রোহিঙ্গাদের উত্তর রাখাইনে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু সেই উদ্যোগও কার্যকর হয়নি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)

করোনা ভাইরাস তথ্য