আবদুর রশিদ. নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ছাদোঅং মার্মা পাড়া সংলগ্ন ধাবনখালী ছড়ার উপর একটি ব্রীজ নির্মাণ হলে পাল্টে যাবে কয়েকটি গ্রামের জীবন চিত্র। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটি কয়েকটি গ্রামের শত শত লোক যাতায়াত করছে, যে কোন মুহুর্তে ধ্বসে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
সরজমিনে দেখা যায়- দীর্ঘকাল যাবৎ ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ব্রীজটির কারণে ফসলের উৎপাদিত পণ্য নায্যমূল্য পাচ্ছে না। যার ফলে নায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। স্থানীয় প্রশাসনকে অতি দ্রুত একটি নতুন ব্রীজ নির্মাণে অতি জরুরী। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ী ছড়াটি খরস্রোতে পরিণত হয়। পারাপার হওয়ার সময় ভেসে যায় দ্রব্যসামগ্রীর পাশাপাশি। ব্রীজটির ওপারে রয়েছে ৩ টি গ্রাম, কয়েকশত একর আবাদি জমি, রাবার বাগান, বিভিন্ন ফলজ ও বনজ বাগান। দৈনিক যাতায়াতকারী ও খুব বেশী। ধাবন খালীর এই ছড়াটি বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ী ঢলের পানি, আর শুকনো মৌসুমে বোরো আবাদের জন্য বাধ দিয়ে থাকে কৃষকেরা যার ফলে চরম দুর্ভোগ জনসাধারনের। তাই ব্রীজটি নির্মান হলে দূঃখ দূর্দশা থেকে মুক্তিপাবে হাজারো মানুষ।
স্থানীয় ছাদোঅং মার্মা পাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু ধুংছাই মারমা জানান- এই ব্রীজটি দীর্ঘকাল যাবৎ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিদিন এই ব্রীজ দিয়ে শত শত পাহাড়ী, বাঙ্গালী পারাপার করে ক্ষেত খামার, চাষাবাদ, রাবার বগান,ও কয়েকটি গ্রামে চলাচল করে থাকে। পাশাপাশি স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা ও পারাপার করে থাকে। বড় ধরনের ক্ষতি না হওয়ার আগে সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানান্
স্থানীয় বাসিন্দা শফিউল আলম বলেন- ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটি দীর্ঘদিন এ অবস্থায় রয়েছে। তাছাড়া ব্রীজটি পায়ে চলাচল ছাড়া আর কিছুই সম্ভব নয়। কোন প্রকার যানবাহন ও চলাচল করতে পারেনা। যার ফলে কয়েক গ্রামের হাজারো মানুষের চরম দূর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
এবিষয়ে ইউপি মোঃ,আলম কোম্পানি বলেন, ধাবনখালি ছড়ার উপর ব্রীজ নির্মাণের ব্যাপারে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যে অবগত করা হয়েছে । আগামী বরাদ্দের অর্থ দিয়ে উক্তস্থানে একটি পি আই ও ব্রীজ নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয়রা ব্রীজটি নির্মানের জন্য জেলা প্রশাসক সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনাও করেছেন।
Leave a Reply