শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
থানচিতে প্রধানমন্ত্রী উপহার আর্থিক সহায়তা প্রদান লামায় গ্রামার স্কুলে বঙ্গবন্ধু বুক কর্ণার ও মুক্তিযোদ্ধা কর্নারের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী’র বিশেষ উপহার পেল লামার ৩হাজার ৬শত পরিবার  বান্দরবানে সুয়ালকে রাবার ড্যাম প্রকল্পে অনিয়মে বাধা দেয়ায় শ্রমিক ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৯ মানছেনা প্রশাসনের জরিমানা ! অবিরাম চলছে আবাদি জমি ও পাহাড় কাটা ৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলিসহ এক জনকে আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি পুলিশ আলীকদমে ২’শ পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সহায়তা ৩ দফা দাবি নিয়ে রাঙ্গামাটিতে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ লামায় জেলা পরিষদের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু কেশবপুরে মাস্ক না পরার অপরাধে ৬ ব্যক্তিকে জরিমানা
বাইশারী ব্রীজটি অসম্পূর্ণ থেকে গেল

বাইশারী ব্রীজটি অসম্পূর্ণ থেকে গেল

আবদুর রশিদ,নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন সদরে অবস্থিত এক অবহেলিত উন্নয়ন বঞ্চিত জনপদের নাম পশ্চিম বাইশারী । শিক্ষাদিক্ষা সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে এগিয়ে থাকলে ও গ্রামটি রয়েছে উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে।
 
বাইশারী ইউনিয়ন সদরের ৭ নং ওয়ার্ড ও কলেজ মাঠ সংলগ্ন গ্রামটি সহ  আরো দশটি গ্রামে যাতায়তের সুবিধার জন্য  এক বছর পুর্বে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি পি আই ও ব্রীজ নির্মান করা হয়। ব্রীজটি নির্মাণের পর উভয় পার্শ্বে মাটি দিয়ে ভরাট করার থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোন রকম জান ছুড়াও পদ্বতিতে দায়সারা ভাবে কাজ বুঝিয়ে দিয়ে উধাও হয়ে যায় বলে জানান স্থানীয় অনেকেই।
 
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাইশারী কলেজ মাঠ সংলগ্ন ব্রীজটির উপর দিয়ে দৈনিক কয়েক হাজার লোকে যাতায়ত করে থাকে।  পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেজি স্কুল,  উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ, ৩টি মাদ্রাসা এই এলাকার অবস্থিত। বাইশারী সদরে গ্রামটির অবস্থান হলে ও যাতায়তের প্রধান সমস্যা কাচা রাস্তা ও ব্রীজটি। ব্রীজের উভয় পার্শ্বে কাদামাটিতে একাকার। বৃষ্টি শুরু হলে যাতায়াত খুবই কঠিন।
 
স্থানীয় বাসিন্দা  আবু সাঈদ জানান, ব্রীজটি নির্মাণের পর থেকে দুঃখ দুর্দশা আরো বেড়ে যায়। ব্রীজটির উভয় পার্শ্বে গাইড ওয়াল ও গার্ডার নেই। অল্প কিছু মাটি দিয়েছিল তাও গত বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে ধ্বসে পড়ে। এতে স্থানীয়রা নিজেদের অর্থে পুনরায় মাটি ভরাট করে জনসাধারণের চলাচলে ব্যবস্থা করা হয়। কিন্ত বর্ষা মৌসুম শুরু হলে যেই লাউ সেই কদু। 
 
স্থানীয় বাসিন্দা ও শাহ নুরুদ্দিন দাখিল মাদ্রসার সিনিয়র শিক্ষক আবদুল গফুর বলেন, ব্রীজটি নির্মাণ হলে ও ব্রীজের উভয় পাশে ইট না দেওয়ায় বৃষ্টি হলে হাটু পর্যন্ট কাদা লেগে যায়।  ছাত্র-ছাত্রীদের বেশি দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। 
 
ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলম বলেন, বিষয়টি তার মনে আছে এবং জেলা পরিষদের কাছে উক্ত সড়কের কাগজ পত্র পাঠানো হয়েছে। আশা করছি অতি শীঘ্রই সমাধান করা হবে। 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology