মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:১১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
পার্বত্য অঞ্চলে সর্বভৌমত্ব আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ৩টি  আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ান স্থাপন- আইজিপি প্রাণির স্বাস্থ্য সনদ জাল করে গরু চোরাচালান! আলীকদমে ইউনুচের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা বান্দরবানে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ চট্টগ্রামের বৈদ্য আটক বান্দরবানে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড পাহাড়ে মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী খুবই আন্তরিক -পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর তুমব্রু সীমান্তে বসবাসরত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরাতে জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন লামায় ঢুকতে পারেনি সিএইচটি কমিশনের একটি দল নাইক্ষ্যংছড়ি তমব্রু সীমান্তে গরু আনতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে পা হারাল এক যুবকের সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে থানচিতে ব্যাপক প্রচারণা চালাবে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নাইক্ষ্যংছড়ি আলী মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি দ্রুত সংষ্কারের দাবি!
বান্দরবানে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

বান্দরবানে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজঃ 

বান্দরবানে এক গরু ব্যবসায়ী ছোট্ট মিয়া’কে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা এবং অপরাধের সাক্ষ্য-প্রমাণ অপসারণ করায় ৭ (সাত) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ ২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দপুরে বান্দরবানের জেলা ও দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূইয়া এ রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ড প্রাপ্ত আসামি উচিংনু মার্মা (২২), উবা চিং মার্মা (৩০), চিং নু মং (২৩), মং নু মং (৫০), বান্দরবান সদর উপজেলার লুলাইন হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা। অপর আসামি মং থু একই উপজেলার লুলাইন পুর্নবাসন পাড়ার বাসিন্দা। মামলায় আসামি রে অং মার্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার সময় দণ্ড প্রাপ্ত আসামি চিং নু মং প্রকাশ হদা আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং বাকী আসামিরা পলাতক রয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, ভিকটিম ছোট্ট মিয়া চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দিয়াকুল এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিম গরু ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাদে আসামি উচিংনু মার্মার নিকট হতে ২ হাজার টাকা বায়না দিয়ে একটি গরু ক্রয় করেন। পরে ভিকটিম ক্রয়কৃত গরু আনার জন্য বাকী টাকা নিয়ে রোয়াংছড়ির হানসামাপাড়া বাজারে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরে পুলিশ আসামি উচিংনু মার্মাকে ২০০৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জেলা শহরের মধ্যমপাড়া হতে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসামি জানায়, সে অপর আসামিগণের সহযোগিতায় দা দিয়ে ভিকটিম ছোট্ট মিয়ার গলা কেটে খুন করে ভিকটিমের মৃতদেহ ৩৪৮নং হ্লাপাইক্ষ্যং মৌজস্থা সারাম্রাং ঝিরিমুখে জনৈক মংজহ্লী মার্মার বাঁশবাগানে মাটিচাপা দেন এবং গরু বিক্রয় বাবত পাওনা ১২ হাজার টাকা আত্মসাত করেন।

বিগত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখ পুলিশ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আসামি উচিংনু মার্মার বর্ণনামতে ঘটস্থলে গিয়ে মাটি খুড়ে ভিকটিম ছোট্ট মিয়ার গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় একই দিন ভিকটিমের ভাই মো. আমজু মিয়া বাদী হয়ে বান্দরবান সদর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ ২০০৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর এ ঘটনায় উসিংনু মার্মা, উবা চিং মার্মা, রে অং মার্মা, চিং নু মং, মং নু মং এবং মং থু কে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন। আদালত রাষ্ট্রপক্ষের ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর এ রায় দেন। মামলার বাদী মো. আমজু মিয়া রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

অপরদিকে, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম বলেন, এ ঘটনায় দায়রেকৃত মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। আদালতের বিচারক আসামিগণকে দণ্ড বিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্থ করে এই রায় দেয়।

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology