শুক্রবার, ০৩ Jul ২০২০, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন

বান্দরবানে ৩০শে জুন পর্যন্ত কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার নির্দেশ

বান্দরবানে ৩০শে জুন পর্যন্ত কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার নির্দেশ

উথোয়াইচিং মারমাঃ

বান্দরবানে আগামী ৩০জুন পর্যন্ত সকল ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান সমূহের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াকুব হোসেন।কিন্তু বান্দরবানে পৌরসভার উজানি পাড়া ৫নং ওর্য়াড এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জনসমাগম করে বাড়িতে গিয়ে কিস্তি আদায় করা হচ্ছে।

গত ২৫র্মাচ এ আদেশ জারী করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে জারীকৃত চিঠির অনুলিপি প্রত্যেক সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হয়। কিন্তু বান্দরবানের বিভিন্ন বেসরকারী ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান সমূহের কিস্তি আদায়ের চিত্র দেখা যায় অন্যরকম। আজ ০৮জুন সকালে বান্দরবান পৌরসভার উজানি পাড়া ৫নং ওর্য়াডে দেখা যায় কিছু বেসরকারী ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত হয়ে আছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বয়স্ক ঋণ গ্রহীতা বলেন, ঘরে খাওয়ার চাউল না থাকলেও কর্মী আসলে কিস্তি দিতে হবে। না হলে যা তা কথা শুনতে হয়।

আর এক দোকানদার বলেন, এমন সময়ে কিস্তি নিচ্ছে, যখন মানুসের ঘরে নুন আনতে পানতা ফুরায় অবস্থা। তাঁরা আরও জানান, দীর্ঘদিন যাবত ধরে লকডাউনে থাকায় কোন ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকুরী কোন কিছুই নাই। সরকারের আদেশে গৃহবন্দি ছিলাম। দু’বেলা আহার যোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছি। তাই ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় ভুক্তভোগীরা জানান, সরকারী সাহায্যে সহায়তা পাওয়ায় কোনরকম ডাল ভাত খেয়ে বেঁচে আছি।এমতাবস্থায় কিস্তি ওয়ালাদের কিস্তি পরিশোধ করার তাগিদ যেন মরার উপর খাড়ার ঘাঁ। দেশের মানুষ সম্পুর্ন বেকার ও আর্থিকভাবে চরম দুর্দশায় ভুগছে। এসব সাধারন মানুষের কথা মা’থায় রেখে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী “শেখ হাসিনা” জুন মাস পর্যন্ত সকল সরকারী- বেসরকারী ও এনজিও সংস্থা গুলোর কিস্তি বন্ধ করার আদেশ দেন। কিন্তু বর্তমানে লকডাউন সীমিত পরিসরে সকল অফিস আ’দালত খুলে দেওয়া হলেও কিস্তি পরিশোধ করার কোন আদেশ দেননি।

এ বিষয়ে বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক)শামীম হোসেন রেজা সামাজিক গণমাধ্যম ফেইসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বান্দরবানের সকল বেসরকারী ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে জানান, বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ক্ষুদ্র ঋন কার্যক্রম পরিচালনাকারী কোন এনজিও অথবা কো-অপারেটিভ সোসাইটি পরবর্তী নির্দেশনা / অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত জোরপূর্বক কিস্তি আদায় করতে পারবেনা। তবে ঋন বিতরণ করতে পারবে । কোন সংস্থা এ নির্দেশনা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কোন সংস্থার কোন ধরনের অজুহাত গ্রহনযোগ্য হবেনা।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)

করোনা ভাইরাস তথ্য