শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১২:২২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাঙ্গামাটিতে ইউপি সদস্য হত্যার মামলায় জেএসএস’র ১০সহ ১৮জনের বিরুদ্ধে মামলা রাঙ্গামাটি বাঘােইছড়িতে প্রকল্প অফিসে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউপি মেম্বার নিহত বন্য হাতির আক্রমণে লামায় যুবতির মৃত্যু ধর্ষণ মামলায় রাঙ্গামাটিতে ইউপি চেয়ারম্যান  কারাগারে  থানচিতে হিউমেনিটারিয়ান ফাউন্ডেশন গরীব প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ বান্দরবান সেনাবাহিনী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে লামায় মানববন্ধন থানচিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত বান্দরবানে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন টানা ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের ঢল
মহেশখালীতে ঘর পেল ৫৫৭ গৃহহীন পরিবার,নির্মার্ণাধীন আরো ১৯৫টি

মহেশখালীতে ঘর পেল ৫৫৭ গৃহহীন পরিবার,নির্মার্ণাধীন আরো ১৯৫টি

সরওয়ার কামাল, মহেশখালী সংবাদদাতাঃ
মহেশখালীতে বিনা পয়সায় ঘর পেয়েছে ৫৫৭ গৃহহীন পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন-২ ‘জমি আছে ঘর নেই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় তারা এসব ঘর পেয়েছে। নির্মাণাধীন রয়েছে ১৯৫টি ঘর। তবে ১৯৫ টি ঘরের এখনো বরাদ্ধ পাওয়া যায়নি বলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মমকর্তা জানান ।
এছাড়াও ৩য় ধাপের ৩৬০টি ঘর নির্মাণের অপেক্ষায় রয়েছে। এরমধ্যে ঘর পেয়েছে মহেশখালী পৌরসভায় ২২৫ টি কুতুবজোম ইউনিয়নে ১৮২ টি, মাতারবাড়ীতে ১৮৬টি, কালারমারছড়া ৩২টি, হোয়ানক ১৩টি, বড় মহেশখালী ২৪টি ও ছোট মহেশখালী ইউনিয়নে ২০টি পরিবার। প্রতিটি ঘরের কাজে বরাদ্ধ রয়েছে এক লাখ টাকা। আরো ১৯৬ টি ঘরের কাজ চলমান রয়েছে, তবে বরাদ্ধ এখনো আসেনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের আওতায় ঘর পাওয়া উপজেলার কুতুবজোমের খোরশেদা বেগম জানান, ঘর পাব তা কখনো ভাবিনি। তাই প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের আওতায় ঘর পেয়েছি। এই ঘর পেয়ে আমার আনন্দের শেষ নেই।

ঘোনাপাড়া এলাকার রাহেনা বেগম বলেন, জীবনে ভাল কোন ঘরে ঘুমাতে পারিনি। বাকি জীবনটা অন্তত ভালো একটি ঘরে কাটাতে পারবো ৷

কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন খোকন বলেন, ঘর পেয়ে খুশি হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যরা এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন উপকার ভোগীরা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সফিউল আলম সাকিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি যার জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পের মাধ্যমে মহেশখালীর মানুষ ঘর পেয়ে অত্যন্ত খুশি। প্রথম ধাপে ২৫৭টি,২য় ধাপের ৪৯৫টির মধ্যে ৩০০টি ঘর উপকার ভোগীকে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকী ১৯৫টি ঘরের বরাদ্ধ না পেলেও ঘর তৈরী চলমান রয়েছে।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, প্ল্যান ও ডিজাইন অনুযায়ী ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন আমরা সেটা বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। ৫৫৭টি ঘর হস্তনান্তর করা হয়েছে। বাকী ১৯৫টি ঘর নির্মাণ চলমান রয়েছে।

মহেশখালী কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মহেশখালীতে জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পে ৫৫৭ টি ঘর উপকারভোগীদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology