রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আর থাকবে না থানচিতে পাথর, শুকিয়ে গেছে পানি কেশবপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫ থানচি নদীতে ডুবে শিশু মৃত্যু থানচিতে প্রধানমন্ত্রী উপহার আর্থিক সহায়তা প্রদান লামায় গ্রামার স্কুলে বঙ্গবন্ধু বুক কর্ণার ও মুক্তিযোদ্ধা কর্নারের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী’র বিশেষ উপহার পেল লামার ৩হাজার ৬শত পরিবার  বান্দরবানে সুয়ালকে রাবার ড্যাম প্রকল্পে অনিয়মে বাধা দেয়ায় শ্রমিক ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৯ মানছেনা প্রশাসনের জরিমানা ! অবিরাম চলছে আবাদি জমি ও পাহাড় কাটা ৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলিসহ এক জনকে আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি পুলিশ আলীকদমে ২’শ পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সহায়তা
যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করতে প্রস্তুত,বান্দরবান জেলা প্রশাসন

যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করতে প্রস্তুত,বান্দরবান জেলা প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সমুদ্রে নিম্ন চাপের ফলে বান্দরবানে টানা তিনদিন ভারী বর্ষণে  বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বান্দরবান শহরে উজানী পাড়া,বালাঘাটা,ক্যচিংঘাটা, আর্মিপাড়া, মেম্বার পাড়া এসব এলাকা নিচু জায়গায় বসবাসরত পরিবারগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। তবে আজ কিছুতা বন্যার পানি স্থিতি রয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসন যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করতে প্রস্তুত রয়েছে। সম্বাব্য আশ্রায়ণ কেন্দ্র শহর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়,আল ফারুক ইন্সটিটিউট, বাস স্টেশন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাস স্টেশন সংলগ্ন ভবন, হাফেজ ঘোনা সাইক্লোন কেন্দ্র, সাংগু উচ্চ বিদ্যালয়, বান্দরবান কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ, উজানী পাড়া সরকারী প্রাইমারী স্কুল, সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এই ১০টি কেন্দ্রকে অস্থায়ীভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরিই মধ্যে বান্দরবান শহর উজানী পাড়া সরকারী স্কুলে ৪১ টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তাদের হাতে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ করা হয়েছে।

পাহাড়ে পাদদেশে ঝুকিপুর্ণভাবে বসবাস করছে ১৪৪৪টি পরিবার। বান্দরবান সদর ৯৫ পরিবার, রুমা ৮৩ পরিবার, রোয়াংছড়ি ৫৯ পরিবার, থানছি ১০৮ পরিবার, লামা ৪২৬ পরিবার, আলীকদম ২১৩ পরিবার, নাইক্ষ্যংছড়ি ৩২৩ পরিবার, বান্দরবান পৌরসভা ১৩৭ পরিবার ঝুকিতে বসবাস করছে। এবং যারা ঝুকিপূর্ণ ও পাহাড় পাদদেশে বসবাস করছে তাদেরকে শহরে মাইকিং করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যেতে বলা হয়েছে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে।

নেজারত ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলীনূর খান জানায়, প্রাকৃতিক দূযোর্গ মোকাবেলা করতে প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন। বান্দরবানে দূযোর্গ ও ত্রাণের জন্য ১লক্ষ ৫৯ মিট্রিক টন এবং ২লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০০টাকা নগদ অর্থ রয়েছে। যদি নগদ অর্থও চাউল ঘাটতি দেখা দিলে , পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হবে ত্রাণ ও দূর্যোগ মন্ত্রণালয় ।

যারা ঝুকিপূর্ণ জায়গায় বসবাস করছে তাদেরকে মাইকিং করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আমাদের মোবাই টিম থাকবে, যদি নিরাপদ জায়গায় চলে না যায় তাহলে মোবাই কোর্টের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান, বান্দরবান প্রতিদিনকে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology