বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বান্দরবানে উদযাপিত করল জাতীয় সমাজসেবা দিবস-২০২৩ বান্দরবান দলবনিয়া এলাকায় বন্যা দূর্গতদের মাঝে মোবাইল হেলথ ক্যাম্প ইউপিডিএফের ৪ নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে মানিকছড়িতে অবরোধ চলছে কলাবতী শাড়ি আগামীতে দেশের বাইরে রপ্তানিতে ছেয়ে যাবে – শাহ্ মোজাহিদ রোয়াংছড়ি তুলাছড়ি পাড়ায় প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারে পিআইসি’র কমিউনিটি চার্টার বিষয়ক মতবিনিময় বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬শ পরিবারকে শক্তি ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধ্বসে শিশুসহ একই পরিবারের আহত ৪ বাান্দরবানে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে বাল্যবিবাহ নিরোধকল্পে বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন করল গ্রীনহিল দি মারমা কো অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন খাগড়াছড়ি মানিকছড়িতে মাশরুম চাষে সফল ইঞ্জিনিয়ার সানি মারমা
রাঙ্গামাটি শহরে হঠাৎ দেখা মিলল ‘দাগি-বসন্ত’ পাখি

রাঙ্গামাটি শহরে হঠাৎ দেখা মিলল ‘দাগি-বসন্ত’ পাখি

গাছের কোটরে বাসা তৈরি করার স্থীর চিত্রটি ধারন করা হয় রাঙ্গামাটির শহরের জেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের একটি গাছ থেকে।

লিটন শীল,রাঙ্গামাটিঃ
পাখির বাসা তৈরির অসাধারণ সৃজনশীলতা যেন প্রকৃতির অপূর্ব স্থাপত্য শিল্পের বহিঃপ্রকাশ। কিছু পাখির বাসা নির্মাণশৈলী এতোটাই দারুণ যে, দেখে বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। পাখির বাসার দিকে ভালো করে তাকালেই বোঝা যায় যে এরা কত শ্রম, বুদ্ধি, ধৈর্য ও কৌশল খরচ করে একটি বাসা তৈরি করে। পাখিরা তাদের দক্ষতা ও যোগ্যতার সবটুকুই প্রয়োগ করে বাসা তৈরিতে। এমনি এক বন-বনান্তরকে মুখর করে রাখা ও তিক্ষè ঠোঠ দিয়ে গাছের কোটরে বাসা তৈরি করা পাখি দাগি-বসন্ত।

প্রতি বছর সে নতুন করে একটা কোটর বানায়। পুরানো কোটরে সে বাসা করে না। কারণ কোটর বানানোর যে প্রক্রিয়া এটাই হলো ছেলে এবং মেয়ে দাগি-বসন্তে প্রণয়ের একটা অঙ্গ। গাছের কোটর বানানোটা প্রথমে শুরু করে ছেলে দাগি-বসন্ত। পরে মেয়ে দাগি-বসন্ত এসেও যোগ দেয়। ছেলে পাখিটার ক্রমাগত আহ্বানে সাড়া দিয়ে এসে কোটরের বাসাটি তৈরিতে শেষের কাজগুলো করে। মেয়ে পাখিটির প্রজনন প্রণয়ে বাঁধা না পড়া পর্যন্ত কিছুতেই থামে না ছেলে পাখির ডাক। সুমিষ্টি স্বরে বনান্তর মাতিয়ে রাখে ‘দাগি-বসন্ত’।

২৮ সেন্টিমিটারের এ পাখি আমাদের প্রতিটি পাহাড়ি বনেই রয়েছে। মাঝে মাঝে হয়তো বনের বাইরে বট বা পাকড়গাছে হঠাৎ এসে পড়ে। মাথা এবং বুক হালকা খয়েরি রঙের। আর বাকি পুরো শরীর সবুজ বলে ওর সারা গাছ ভরে থাকলেও ওকে সহজে দেখতে পাই না। বুকের মাঝে লম্বা লম্বা সাদা দাগের জন্যই ‘দাগি’ বলা হয়। এজন্য ওর নামকরণ দাগিবসন্ত। বিশেষ করে এই প্রজননের সময় অনেক ডাকে; ফলে বন একেবারে সোরগোল করে মাতিয়ে রাখে এই প্রজাতির পাখি।

 

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology