বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
খাগড়াছড়ি গুইমারাতে আগুনে ঘর পুড়ে ছাই নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড় থেকে ১৩টি অস্ত্র ও বার্মিজ মদ উদ্ধার লামায় জুম ও প্রাকৃতিক বনাঞ্চলে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ায় রাবার কোম্পানির বিরুদ্ধে সংবাদ সন্মেলন বাইশারীতে আন্ত: প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণকারি ফরহাদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ বান্দরবান লেমুঝিরি পাড়ায় এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ত্রিপুরা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ৭ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং চাকুরী স্থায়ীকরণের দাবি জানিয়ে বান্দরবানে মানববন্ধন আলীকদমে লেকের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু থানচি’র ইউএনও আতাউল গনি ওসমানী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দুস্থ রোগীদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বান্দরবান রোগী কল্যাণ সমিতি
লামায় অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস করে সরকারি জায়গা উদ্ধার

লামায় অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস করে সরকারি জায়গা উদ্ধার

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি লামাঃ
লামায় দীর্ঘদিনের বেদখলকৃত কৃষি বিভাগের ৩৩ শতক জায়গা জবরদখল মুক্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমির নেতৃত্বে সোমবার বিকেলে টানা ৪ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০টি দোকানের অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে তাদের স্থাপনা উচ্ছেদ করে জায়গা দখল মুক্ত করা হয়।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশরাত ছিদ্দিকা, লামা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা, লামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মামুন ইয়াকুব, রুপসীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিং প্রু মার্মা, লামা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, লামা থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল হক।

সূত্র জানায়, রুপসীপাড়া বাজারে কৃষি অফিসের সরকারি জায়গায় দোকান প্লট নির্মাণ করে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছিল প্রায় ৩০ জন ব্যবসায়ী। দখলদারদের আগ্রাসনে ধীরে ধীরে কৃষি বিভাগের সম্পূর্ণ জায়গা জবরদখলকারীদের আওতায় চলে গেলে তারা উক্ত স্থান হতে কৃষি বিভাগকে তাড়িয়ে সম্পূর্ণ জায়গা দখলের ষড়যন্ত্র শুরু করে। সম্প্রতি উক্ত জায়গায় অনেকে বহুতল ভবন নির্মাণ করে দোকান পরিচালনা শুরু করে। এছাড়া অনেকে কৃষি বিভাগের লোকজনের বাধা উপেক্ষা করে নিজেদের ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে দোকান তৈরি করে জায়গা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি সোমবার বিকেলে এই সরকারি সম্পদ উদ্ধারে মাঠে নামেন। ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার দ্বারা জায়গাটি পুণরায় পরিমাপ পরিচিহ্নিত করা হয়। এসময় দেখা যায় উক্ত জায়গায় ৩০টির অধিক দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা বাণিজ্য করছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। স্থানীয় লোকজন দোকানঘর নির্মাণের স্বপক্ষে কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেন নাই। এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে বোল্ড ডোজার দিয়ে অবৈধ সকল স্থাপনা ধ্বংস করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি বলেন, সরকারি জায়গা কোনভাবেই জবরদখল করতে দেওয়া হবে না। জবরদখলকারী যে হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology