বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
খাগড়াছড়ি গুইমারাতে আগুনে ঘর পুড়ে ছাই নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড় থেকে ১৩টি অস্ত্র ও বার্মিজ মদ উদ্ধার লামায় জুম ও প্রাকৃতিক বনাঞ্চলে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ায় রাবার কোম্পানির বিরুদ্ধে সংবাদ সন্মেলন বাইশারীতে আন্ত: প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণকারি ফরহাদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ বান্দরবান লেমুঝিরি পাড়ায় এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ত্রিপুরা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ৭ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং চাকুরী স্থায়ীকরণের দাবি জানিয়ে বান্দরবানে মানববন্ধন আলীকদমে লেকের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু থানচি’র ইউএনও আতাউল গনি ওসমানী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দুস্থ রোগীদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বান্দরবান রোগী কল্যাণ সমিতি
লামায় কঠিন চীবর দানোৎসবে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা

লামায় কঠিন চীবর দানোৎসবে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি লামাঃ
নানা আয়োজনে লামা উপজেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা ছোট পাড়া বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বাবু ক্যশৈহ্লা। এসময় তিনি বিহারের সীমাঘর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি, বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, লামা থানা অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা, ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিংপ্রæ মার্মা, বাথোয়াইচিং মার্মা, ইউপি মেম্বার আপ্রæচিং মার্মা, মো. শহীদুজ্জামান সহ প্রমূখ।
সকাল থেকে ধর্মীয় নানা আয়োজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের পর উপাসনার মধ্য দিয়ে মূল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আশপাশের সকল বিহারের ধর্মীয় গুরুজন ভান্তেরা উপস্থিত হয়। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ ও দায়ক-দায়িকা ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নৃ-তাত্তি¡ক গোষ্ঠীর শতশত নারী-পুরুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
প্রতি বছর প্রবারণা পূর্ণিমার পরই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা এক মাস পর্যন্ত কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন। তাদের বিশ্বাস বুদ্ধ ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের উদ্দেশ্যে এই চীবরদানের মাধ্যমে পূণ্য লাভ করা যায়। বৌদ্ধ ভিক্ষুদের টানা তিন মাস বর্ষাবাসের পর প্রবারণা পূর্ণিমা পালনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মাসোব্যাপী কঠিন চীবরদান উৎসব। এসময় দায়ক-দায়িকারা বৌদ্ধ বিহারে ভিক্ষুদের উদ্দেশ্যে সংঘ দান, অষ্ট পরিস্কার, বুদ্ধ মূর্তি, কল্পতরু, হাজার প্রদীপসহ নানাবিধ দান করে। এছাড়া চন্দন ও ডাবের পানি দিয়ে বুদ্ধমূর্তিকে স্নান করানো হয়।
এরপর ধর্মীয় গুরুজনেরা কঠিন চীবরের মাহাত্ম তুলে ধরেন এবং দায়ক-দায়িকাদের ধর্মীয় দেশনা দেন। এবার উপজেলার কয়েক‘শ বৌদ্ধ বিহারে পর্যায়ক্রমে কঠিন চীবর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology