বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুরে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বাস চালকসহ ৪ ব্যক্তিকে জরিমানা বাইশারী যুবলীগের নবনির্বাচিত সভাপতি ও সম্পাদককে সংবর্ধনা দিলেন পেঠান আলী পাড়া জামে মসজিদ নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু লামায় ১ম দিনে কোভিড-১৯ ফাইজার টিকা পেল ১৯৯৮ শিক্ষার্থী নিরাপদ সন্তান প্রসবের আপন ঠিকানা রুপসী পাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কেন্দ্র ১৩ জানুয়ারি বান্দরবানে কঠোর বিধিনিষেধ- জরুরি বৈঠকে জেলা প্রশাসক নাইক্ষ্যংছড়িতে ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ ১জনকে আটক করেছে পুলিশ ওমিক্রন ঠেকাতে ১১ দফা বিধিনিষেধ ১৩ জানুয়ারি থেকে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলবে বান্দরবানে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
লামা-আলীকদমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

লামা-আলীকদমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

মংছিংপ্রু মার্মা, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ
টানা ২দিন বন্যার পানিতে ডুবে থাকা পর বান্দরবানে লামা ও আলীকদমে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। নিচু এলাকা থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসায় আশ্রিতরা বাড়ি-ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। লামা-আলীকদম থেকে চকরিয়া উপজেলার সড়কের যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমা নিচে নেমে গেছে। তবে বন্যার পানি নেমে যেতে না যেতেই বিশুদ্ধ পানি সংকট দেখা দিয়েছে।
গত শনিবার থেকে তিনদিনের ভারী বর্ষণে গত সোমবার ও মঙ্গলবার টানা দুদিন পানি বন্দী হয়ে পড়ে লামা ও আলীকদমের প্রায় ৫০ হাজারো বেশি মানুষ।
গতকাল বিকালে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি পৌরসভা আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন ও বন্যার্তদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে শুকনো খাবার চাল, ডাল ও তেল বিতরণ করেন। এসময় লামা পৌরসভা প্যানেল মেয়র মো. হোসেন বাদশা, কাউন্সিলর মো. রফিক, মো. সাইফ উদ্দিন ও সাংবাদিক তানফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। পড়ে তিনি উপজেলা সদর দপ্তর, বন্যা কবলিত এলাকার ও থানা কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
লামা পৌরসভা মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে আশ্রিতদের মধ্যে রাতে পৌরসভার পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানি কমে যাওয়াই আশ্রিতরা বাড়ি ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।
লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি জানান, বন্যায় পাহাড় ধস, অন্য কোন রকম ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেওয়া লোকজনকে সাধ্যমত শুকনা খাবার চাল, ডাল, তেল ও খাবার পানি সরবরাহ করা হয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী বলেন, পাহাড় ধস ও বন্যায় কি পরিমান ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে এখনও নিরুপন করা হয়নি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology