শুক্রবার, ৩০ Jul ২০২১, ১১:১৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় ভালুকের আক্রমণে গুরুতর আহত হলো জুম চাষি আগামী রবিবারে রাণীমা মরদেহ সৎকার করা হবে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে রোহিঙ্গার শরনার্থীর লাশ উদ্ধার নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুমে ৪ শতাধিক পরিবার পানিবন্ধী, খামারিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঈদগাঁও -ইদগড় -বাইশারী সড়ক নদীর বুকে বিলীন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন টানা বৃষ্টিতে মহেশখালীতে পাহাড় ধ্বসে ২ জনের মৃত্যু! ৪শতাধিক ঘরবাাড়ি পানিবন্দি কেশবপুরে চালবাহী ট্রাক উল্টে মাছের ঘেরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন বান্দরবানে রাণী মা মাশৈনু  নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুমে বন্যার পানিতে ভেসে ২ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১  ভারী বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা
লামা-আলীকদমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

লামা-আলীকদমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

মংছিংপ্রু মার্মা, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ
টানা ২দিন বন্যার পানিতে ডুবে থাকা পর বান্দরবানে লামা ও আলীকদমে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। নিচু এলাকা থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসায় আশ্রিতরা বাড়ি-ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। লামা-আলীকদম থেকে চকরিয়া উপজেলার সড়কের যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমা নিচে নেমে গেছে। তবে বন্যার পানি নেমে যেতে না যেতেই বিশুদ্ধ পানি সংকট দেখা দিয়েছে।
গত শনিবার থেকে তিনদিনের ভারী বর্ষণে গত সোমবার ও মঙ্গলবার টানা দুদিন পানি বন্দী হয়ে পড়ে লামা ও আলীকদমের প্রায় ৫০ হাজারো বেশি মানুষ।
গতকাল বিকালে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি পৌরসভা আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন ও বন্যার্তদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে শুকনো খাবার চাল, ডাল ও তেল বিতরণ করেন। এসময় লামা পৌরসভা প্যানেল মেয়র মো. হোসেন বাদশা, কাউন্সিলর মো. রফিক, মো. সাইফ উদ্দিন ও সাংবাদিক তানফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। পড়ে তিনি উপজেলা সদর দপ্তর, বন্যা কবলিত এলাকার ও থানা কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
লামা পৌরসভা মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে আশ্রিতদের মধ্যে রাতে পৌরসভার পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানি কমে যাওয়াই আশ্রিতরা বাড়ি ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।
লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি জানান, বন্যায় পাহাড় ধস, অন্য কোন রকম ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেওয়া লোকজনকে সাধ্যমত শুকনা খাবার চাল, ডাল, তেল ও খাবার পানি সরবরাহ করা হয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী বলেন, পাহাড় ধস ও বন্যায় কি পরিমান ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে এখনও নিরুপন করা হয়নি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology