শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৮:১৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
থানচিতে প্রধানমন্ত্রী উপহার আর্থিক সহায়তা প্রদান লামায় গ্রামার স্কুলে বঙ্গবন্ধু বুক কর্ণার ও মুক্তিযোদ্ধা কর্নারের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী’র বিশেষ উপহার পেল লামার ৩হাজার ৬শত পরিবার  বান্দরবানে সুয়ালকে রাবার ড্যাম প্রকল্পে অনিয়মে বাধা দেয়ায় শ্রমিক ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৯ মানছেনা প্রশাসনের জরিমানা ! অবিরাম চলছে আবাদি জমি ও পাহাড় কাটা ৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলিসহ এক জনকে আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি পুলিশ আলীকদমে ২’শ পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সহায়তা ৩ দফা দাবি নিয়ে রাঙ্গামাটিতে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ লামায় জেলা পরিষদের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু কেশবপুরে মাস্ক না পরার অপরাধে ৬ ব্যক্তিকে জরিমানা
সড়কের জমি অধিগ্রহণে অনিয়ম তালিকায় নাম নেই জলন্তমনি তঞ্চঙ্গ্যার

সড়কের জমি অধিগ্রহণে অনিয়ম তালিকায় নাম নেই জলন্তমনি তঞ্চঙ্গ্যার

হিল্লোল দত্ত; আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে আলীকদমের পান বাজার চৈক্ষ্যং ত্রিপুরা পাড়া-কলার ঝিরি রাস্তা পাকা করণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণের তালিকায় নাম নেই জলন্তমনি তঞ্চঙ্গ্যার।

২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে রাস্তাটি পাকা করণের কাজ শুরুর প্রাক্কালে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হইতে ভূমি অধিগ্রহনের তালিকা প্রনয়ন করা হয়। দীর্ঘদিন গড়িমশির পর অবশেষে চুড়ান্ত তালিকা পাওয়া গেলেও তালিকায় নাম দেখা যায়নি ক্ষতিগ্রস্থ জুমিয়া অধিবাসি জলন্ত মনি তঞ্চঙ্গ্যা।

সরেজমিন দেখা যায়, রাস্তাটির কাজ প্রায় শেষ প্রান্তে। এই রাস্তার প্রায় ১৫০ মিটার জুড়ে রয়েছে জলন্তমনির নামীয় ২৯১ নং তৈনফা মৌজার হোল্ডিং নং- ৪০ এর চৌহদ্দিভুক্ত জমি। রাস্তা নির্মানে ওই হোল্ডিং এর প্রায় ৪০ শতাংশ জমি রাস্তার নির্মানে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। গত ৩০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখ বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা স্থানীয় নয় জন ক্ষতিগ্রস্থের নিকট হইতে নোটিশে উল্লেখিত পরিমান জমি অধিগ্রহণের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম (ভূমি অধিগ্রহণ) প্রবিধান, ১৯৫৮ এর ৩(২) ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে নোটিশ জারী করা হলেও জলন্ত মনি তঞ্চঙ্গ্যার নাম ওই নোটিশে দেখা যায়নি।

এবিষয়ে গত ৩০/০৪/২০১৯ তারিখ জলন্তমনি তংচংগ্যা বান্দরবান জেলা প্রশাসকের বরাবরে ক্ষতিপুরণের জন্য একটি লিখিত আবেদন করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হইতে বিষয়টি তদন্ত করা হয়নাই বলে জানান জলন্তমনি তঞ্চঙ্গ্যা।

এ প্রতিবেদককে আরো জানান, আমি একজন গরিব অসহায় জুমিয়া। চাষাবাদ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে পরিবারের ভরণ পোষন করছি। কিন্তু ওই এক টুকরো জমি থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ জমির উপর রাস্তা নির্মান হয়। জমির ক্ষতিপুরণ না পেলে আমার পরিবার পরিজনের ভরণ পোষন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

তবে এবিষয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও অনিবার্য করণ বসতঃ বিষয়টি নিয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ভালো লাগলে সংবাদটি শেয়ার করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Bandarban Pratidin.com
Design & Developed BY CHT Technology